Home / News / Before the elections, the age of the service is increasing 35 years

Before the elections, the age of the service is increasing 35 years

Before the elections, the age of the service is increasing 35 years

Parliamentary Standing Committee meeting of the Ministry of Public Administration was held in the Jatiya Sangsad Bhaban on 27th June this year. It is recommended that the age of entry to the government service is 35 years and the retirement age is 65 years. The proposal to increase the age of entry into the government service was considered for a long time. In view of that consideration, the Parliamentary Standing Committee recommends entering the service and increasing the age of retirement. The parliamentary committee asks the Public Administration Ministry to take necessary measures. After the recommendation of the parliamentary committee, it is now under the Public Administration Ministry to increase the age limit for government services. The implementation of the recommendation in the Public Administration Ministry has shown disagreement.

It is known, their thinking, whether this recommendation will be implemented before or after the election. Because if the quota issue is compared with the issue of increasing the age of entry into the job, it is seen that, rather than renovating quota, the number of entry into the job is going to increase the number of jobs.

The Awami League’s election manifesto included the age limit for entering the government service 35 and the retirement age limit 65. The draft is not final yet, it will be final soon. Awami League is strategically thinking of implementing this age series in the election manifesto and coming to power in the next time. Because it is time-consuming demand for young people. As a result, the government is expecting young voters to vote for Awami League.
There is a lot of anger among the bureaucrats over the age of the job. Where the age of retirement age of a public university is 65 years, the judges’ retirement age is 65 years, their retirement age is less than that. So there was a demand to get the age of all the BCs to get the coordination. When the Parliamentary Standing Committee on the Ministry of Public Administration has recommended this matter, Awami League is strategically trying to implement this recommendation. When it can be implemented, Awami League considers it.

According to some Awami League leaders, if it is implemented before the election, it will have a positive effect. Again many Awami League leaders say that instead of implementing the issue before the election, instead of implementing the election manifesto, it will have a positive effect if implemented after the election. However, according to many, if the issue of retirement and retirement is now implemented in a strategic way, then the ongoing movement of slow-moving quota reforms will be discontinued. Because the demand for the lives of students from quota also increases the age of entry into the government service.

But if the Awami League wants, the question of the implementation of the proposal to increase the age limit of the government due to the slowing of the administration remains the question. Ministry of public administration and cabinet division was inactive on the issue when the Prime Minister spoke in parliament about the quota reform movement. The Ministry of Public Administration and the Cabinet also has a dilemma about the recommendations made by the Parliamentary Standing Committee. And due to this longing, there is a lot of happening events like quota reforms. So now that the job age is increasing before the election, it is a big question now. To get Before the elections, the age of the service is increasing 35 years related all information,you can read my website that is bdlatestupdate.com.

Bangla Meaning :

সু-খবরঃ নির্বাচনের আগেই চাকরির বয়সসীমা বাড়ছে ৩৫বছর 

চলতি বছরের ২৭ জুন জাতীয় সংসদ ভবনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করার জন্য সুপারিশ করা হয়। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাবটি দীর্ঘ দিন ধরে বিবেচনাধীন ছিল। ওই বিবেচনার পরিপ্রেক্ষিতেই সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির সুপারিশ করে। সংসদীয় কমিটি এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলে। সংসদীয় কমিটির সুপারিশের পর বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ বাস্তবায়ন নিয়ে দেখা গেছে দ্বিধাদ্বন্দ্ব।

জানা গেছে, তাদের চিন্তা, এই সুপারিশের বাস্তবায়ন নির্বাচনের আগে নাকি পরে করবে। কারণ চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর ইস্যুটির সঙ্গে যদি কোটা ইস্যুটির তুলনা করা হয়, তবে দেখা যায়, কোটা সংস্কার করার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়াতে চায়।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের খসড়াতেও সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ ও অবসরের বয়সসীমা ৬৫ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খসড়াটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হবে। আওয়ামী লীগ কৌশলগত ভাবেই এই বয়সসীমার বিষয়টি নির্বাচনী ইশতেহারে রেখে আগামী বার ক্ষমতায় এসে তা বাস্তবায়ন করার কথা ভাবছে। কারণ এটা তরুণদের কাছে সময়সাপেক্ষ দাবি। ফলে তরুণ ভোটাররা উদ্বুদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগকে ভোট দিবে বলে আশা করছে সরকার।

চাকরির বয়সসীমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমলাদের মধ্যেও চাপা ক্ষোভ আছে। যেখানে একজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর, একজন বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর, সেখানে তাদের অবসরের বয়সসীমা তার চেয়ে কম। তাই সমন্বয় আনতে আগে থেকেই বিসিএস প্রাপ্ত সবার বয়স একই করার দাবি ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিষয়টি যখন সুপারিশ করেছে, তখন আওয়ামী লীগ কৌশলগত ভাবে এই সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে চাইছে। কখন এটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব, আওয়ামী লীগ তা বিবেচনা করছে।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার মতে, নির্বাচনের আগেই যদি এটি বাস্তবায়ন করা হয় তবে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আবার আওয়ামী লীগেরই অনেক নেতা বলছেন, বিষয়টিকে নির্বাচনের আগে বাস্তবায়ন না করে বরং নির্বাচনী ইশতেহারে রেখে, নির্বাচনের পরে বাস্তবায়ন করলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে অনেকের মতে, কৌশলগতভাবে এখনই চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বিষয়টি যদি বাস্তবায়ন করা হয় তবে ধীর গতিতে চলতে থাকা কোটা সংস্কারের চলমান আন্দোলন বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ কোটার থেকেও শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি।

তবে আওয়ামী লীগ চাইলেও প্রশাসনের ধীরগতির কারণে চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাবের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কোটা সংস্কারের আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যখন সংসদে কথা বললেন, তখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বিষয়টি নিয়ে নিষ্ক্রিয় ছিল। বর্তমানে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির যে সুপারিশ করেছে তা নিয়েও দ্বিধা-দ্বন্দ্বে রয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদে। আর এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণেই কোটা সংস্কার নিয়ে বারবার আন্দোলনের মতো ঘটনা ঘটছে। তাই স্বভাবতই নির্বাচনের আগেই চাকরির বয়সসীমা বাড়ছে কিনা তাই এখন বড় প্রশ্ন। যাবতীয় সকল সরকারি নিউজ সহ যাবতীয় সকল সরকারি/বেসরকারি চাকরির সার্কুলার পাবেন এখানে bdlatestupdate.com.

Join our Facebook Group Get job update & discuss about Job related Topics.

About Redoy

Check Also

Primary Latest News

Primary Latest News As per the primary education department (DPE) sources, about 1 million candidates …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *