তিনবার ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও না জানানোয় আইসিসির এই শাস্তি দিয়েছে বলে জানা গেছে। সুই বছরের সাজা হলেও ভুল স্বীকার করায় এক বছরের শাস্তি মওকুফ পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। মাঠে ফিরতে পারবেন আগামী বছরের ২৯ অক্টোবর থেকে।
প্রায় দুবছর আগে পাওয়া স্পট ফিক্সিং প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেও তা আইসিসির অ্যান্টিকরাপশন ইউনিটকে না জানানোয় শাস্তির মুখে টেস্ট আর টি টোয়েন্টি অধিনায়ক। আইসিসির কাছে নিজের ভুল স্বীকারও করেছিলেন সাকিব আল হাসান।
দু’বছর আগে পাওয়া সেই ফিক্সিং অফার সম্পর্কে আইসিসি জানতে পারে কল রেকর্ড ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে। এরপর অভিযুক্ত সাকিব আল হাসানকে জানানো হয়। সাকিব প্রস্তাব পাবার কথা স্বীকার করেন। সাথে আইসিসিকে না জানানোর জন্য ভুলও স্বীকার করেছেন। তবে ফিক্সিং প্রস্তাব পেলে না গোপন করাও অপরাধ। আইসিসির অ্যান্টিকরাপশন ধারা ২ এর ৪ উপধারায় যার শাস্তি সর্বনিম্ন ৬ মাস আর সর্বোচ্চ পাঁচ বছর।
আইসিসির পরামর্শে সাকিবকে ভারত সফরের অনুশীলনে রাখা হয়নি। নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পেলে আপীল করবেন সাকিব। সেক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কমে আসতে পারে ৬ মাসে।
এদিকে আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) গণভবনে আজারবাইজান সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আইনত সাকিব ভুল করেছে তবে বিসিবি তার পাশে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিসিবি সব সময় সাকিবের সঙ্গে আছে এবং তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। ক্রিকেট খেলোয়াড়দের সঙ্গে জুয়াড়িরা যোগাযোগ করে। ওর যেটা ভুল হয়েছে, যখন যোগাযোগ করা হয়েছে, তখন বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। সে কথাটি আইসিসিকে জানায়নি। নিয়মটা হচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে জানানো উচিত ছিল। সে এটাই ভুল করেছে। আইসিসি যদি অবস্থান নেয়, সে ক্ষেত্রে আমাদের তো খুব বেশি কিছু করণীয় থাকে না। আমাদের দেশের ক্রিকেটার এবং খেলোয়াড় হিসেবে তার একটি অবস্থান আছে। সে ভুল করেছে, এটা ঠিক। সে সেটা বুঝতেও পেরেছে।
এছাড়া ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘আইসিসি কি ধরণের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, এটা কোন অথেনটিক রিপোর্ট নয়। তবে আমরা কোন কঠোর সিদ্ধান্ত যদি আসে, আমরা অবশ্যই সাকিবের পাশে থাকবো। এ থেকে তাকে কিভাবে রক্ষা করা যায় তা আমরা চেষ্টা করবো।
সুত্রঃ channel24bd.tv